শহরের এক নামী স্কুল। বাইরে থেকে দেখলে সবকিছু একদম ঠিকঠাক—ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধুত্ব, হাসি-ঠাট্টা। কিন্তু এই বিরাট গেটের ভেতরে, করিডরের মোড়ে, খেলার মাঠে গড়ে উঠেছে এক অন্ধকার জগৎ, যার সম্পর্কে কেউ আঁচ করতে পারেনি।
হঠাৎ করেই শুরু হলো আক্রমণ। একের পর এক ছেলে আহত হতে লাগল। এক সন্ধ্যায় আমবাগানের পাশে পড়ে রইল এক অচেতন, রক্তাক্ত কিশোর। স্কুলজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আতঙ্ক।
কে করছে এসব?
কেনই বা করা হচ্ছে?
সবার চোখে-মুখে সন্দেহ। কিন্তু সত্যটা লুকিয়ে রইল গভীর নীরবতার আড়ালে। রহস্য উন্মোচনের আগ পর্যন্ত পাঠক জানবে না—অপরাধী কে, তার ব্যথা, বা তার মুক্তির পথ।
এই উপন্যাস শুধু একটা রহস্য-উপন্যাস নয়, যেখানে ‘কে দোষী’ সেই উত্তরটা খোঁজা হয়েছে। এটি শুধু একটি অপরাধের কাহিনি নয়; এখানে রয়েছে অনুশোচনা, আত্মসংঘাত, ক্ষমা আর পরিবর্তনের গল্প। যেখানে একজন শিক্ষক, কয়েকজন কিশোর আর সাহসী স্বীকারোক্তি দেখিয়ে দেয়—ভুল থেকে ফিরে আসার পথ সবসময় বন্ধ হয় না।
কিশোরদের জন্য লেখা এই উপন্যাস ভাবাবে বড়দেরও। কারণ এর প্রশ্নগুলো সবার—যারা নীরবে কষ্ট পায়, তাদের কান্নার ধ্বনি কি আদৌও আমাদের কানে পৌঁছায়? ক্ষমা করা কি সত্যিই সম্ভব? আর কীভাবে আমরা একে অপরকে বাঁচাতে পারি, নিজেদের অন্ধকার থেকে?





Reviews
There are no reviews yet.